বাজারে ক্রেতা কম, দাম অনেকটা স্থিতিশীল

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির পর প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম দেখা গেছে। তবে কিছু সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মুরগির দাম।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে রাজধানীর পূর্ব রামপুরার বউ বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সকাল থেকে বাজারে বিক্রেতারা দোকান খুলে বেচাকেনা শুরু করলেও অন্যান্য শুক্রবারের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা কম ছিল। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অনেক পরিবার এখনও ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফেরেনি। তাই বাজারে ভিড়ও কম।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। পাকিস্তানি মুরগির কেজি ৩৫০ টাকা। তবে গরু ও খাসির মাংসের দোকান খোলা না থাকায় দাম জানা সম্ভব হয়নি।

মাছের বাজারে প্রতি কেজি পাঙাস ও তেলাপিয়া মাছ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাষের কই মাছের কেজি ২২০ টাকা। রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা কেজি দরে। শিং মাছের কেজি ৩২০ টাকা এবং মৃগেল মাছের কেজি ৩০০ টাকা।

ডিমের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বাজারে বাদামি (ব্রাউন) ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায় এবং সাদা ডজন ডিমের দাম ১২০ টাকা। আগে এসব ডিম বিক্রি হয়েছে যথাক্রমে ১৪০ ও ১৩০ টাকায়।

সবজির বাজারে কচুমুখী প্রতি কেজি ৮০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, শসা ৪০ টাকা এবং করলা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ঢেঁড়সের কেজি ৪০ টাকা এবং বেগুনের কেজি ৬০ টাকা। চাল কুমড়া বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৫০ টাকা, আর লাউ ৬০ টাকায়।

বাজারে আসা ক্রেতা সাদাত সরকার বলেন, মুরগি কিনতে গিয়ে দেখলাম ঈদ যেতে না যেতেই কেজিপ্রতি ব্রয়লার মুরগির দাম ২০ টাকা বেড়েছে। ঈদের একদিন পর এই মুরগির দাম ছিল ১৫০ টাকা কেজি। আবার দেখলাম ডিমের দাম ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে।

বাজারের মাছ বিক্রেতা আলমগীর বলেন, দুই দিন হলো দোকান খুলেছি। টুকটাক বিক্রি হচ্ছে। তবে ঈদের আগের মতো ক্রেতা নেই। ঈদের আগে প্রয়োজনীয় বাজার করে রাখায় এখন অনেকেই সীমিত পরিমাণে কেনাকাটা করছেন। ফলে বাজারে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ক্রেতার উপস্থিতি কম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» শনিবার খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্যজোট

» হাদি হত্যা মামলায় সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ২৮ জুন

» মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে বিশ্বাস করে এই সরকার : প্রধানমন্ত্রী

» দেশে প্রথমবার ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল’ করতে যাচ্ছে সরকার : মন্ত্রিপরিষদ সচিব

» তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

» জুলাই থেকে পুরোদমে শুরু ফ্যামিলি-কৃষক-ইমাম কার্ড কর্মসূচি : আইনমন্ত্রী

» সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

» ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় দুর্নীতি-লুটপাটে ভেঙে পড়েছিল স্বাস্থ্যসেবা : স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী

» শ্রীমঙ্গলের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

» টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

বাজারে ক্রেতা কম, দাম অনেকটা স্থিতিশীল

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির পর প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম দেখা গেছে। তবে কিছু সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মুরগির দাম।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে রাজধানীর পূর্ব রামপুরার বউ বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সকাল থেকে বাজারে বিক্রেতারা দোকান খুলে বেচাকেনা শুরু করলেও অন্যান্য শুক্রবারের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা কম ছিল। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অনেক পরিবার এখনও ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফেরেনি। তাই বাজারে ভিড়ও কম।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। পাকিস্তানি মুরগির কেজি ৩৫০ টাকা। তবে গরু ও খাসির মাংসের দোকান খোলা না থাকায় দাম জানা সম্ভব হয়নি।

মাছের বাজারে প্রতি কেজি পাঙাস ও তেলাপিয়া মাছ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাষের কই মাছের কেজি ২২০ টাকা। রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা কেজি দরে। শিং মাছের কেজি ৩২০ টাকা এবং মৃগেল মাছের কেজি ৩০০ টাকা।

ডিমের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বাজারে বাদামি (ব্রাউন) ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায় এবং সাদা ডজন ডিমের দাম ১২০ টাকা। আগে এসব ডিম বিক্রি হয়েছে যথাক্রমে ১৪০ ও ১৩০ টাকায়।

সবজির বাজারে কচুমুখী প্রতি কেজি ৮০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, শসা ৪০ টাকা এবং করলা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ঢেঁড়সের কেজি ৪০ টাকা এবং বেগুনের কেজি ৬০ টাকা। চাল কুমড়া বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৫০ টাকা, আর লাউ ৬০ টাকায়।

বাজারে আসা ক্রেতা সাদাত সরকার বলেন, মুরগি কিনতে গিয়ে দেখলাম ঈদ যেতে না যেতেই কেজিপ্রতি ব্রয়লার মুরগির দাম ২০ টাকা বেড়েছে। ঈদের একদিন পর এই মুরগির দাম ছিল ১৫০ টাকা কেজি। আবার দেখলাম ডিমের দাম ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে।

বাজারের মাছ বিক্রেতা আলমগীর বলেন, দুই দিন হলো দোকান খুলেছি। টুকটাক বিক্রি হচ্ছে। তবে ঈদের আগের মতো ক্রেতা নেই। ঈদের আগে প্রয়োজনীয় বাজার করে রাখায় এখন অনেকেই সীমিত পরিমাণে কেনাকাটা করছেন। ফলে বাজারে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ক্রেতার উপস্থিতি কম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com